পোস্টগুলি

সেপ্টেম্বর, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভাব বিনিময় করে কি প্রাণীরা

ছবি
প্রাণীরা কি একে অপরের সঙ্গে ভাব বিনিময় করে ? এই ধরা যাক কিছু কাজের কথা। যেমন , কোথায় খাবার পাওয়া যাবে , পরজীবিদের শায়েস্তা করা যায় কী ভাবে , বিপদ থেকে বাঁচার উপায় আছে নাকি কিছু ? বিজ্ঞানীরা এত দিন মনে করতেন যে , একই প্রজাতির প্রাণীরা নিজেদের মধ্যে ভাব আদান-প্রদান করে থাকে। কুকুর কুকুরের সঙ্গে। বেড়াল বেড়ালের সঙ্গে। হাতি আর পাঁচটা হাতির সঙ্গে। প্যাঁচা প্যাঁচানীর   সঙ্গে। তাঁরা এখন বলছেন , না। সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর মধ্যেও আলাপ-আলোচনা হয়ে থাকে , তাদের নিজস্ব ভাষায়। যেমন , বক আর কুমিরের মধ্যে , বা বেজি আর বুনো শুয়োরের মধ্যে। এমন কী মানুষের সঙ্গে পোষ্য ও বন্য প্রাণীরও। এবং বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে নিজেদের ভাষায় এই ভাব বিনিময় , প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখার ক্ষেত্রে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। এমনটাই অভিমত বিজ্ঞানীদের। আফ্রিকায় এক প্রজাতির পাখি আছে যারা মৌলেদের সঙ্গে কথা বলে। যখনই তারা মধু-ভরা মৌচাকের সন্ধান পায় , তখনই গ্রামের কাছে উড়ে এসে এক বিশেষ স্বরে ডাকতে থাকে। সেই ডাকের মানে গ্রামবাসীরা বোঝেন। মৌচাকের সন্ধান পেয়েছে পাখিরা। ওরা উড়তে উড়তে পথ দেখিয়ে নিয়ে যায় মধুকরদের। চাক ভা...

সজীব, সবুজ, সে অন্য এক সাহারা

ছবি
  তাস্সেলিতে পাথরের গায়ে জিরাফের ছবি আফ্রিকার দেশ আলজেরিয়া। আলজেরিয়াই আফ্রিকার বৃহত্তম দেশ। এবং সে দেশেই আছে আফ্রিকার সব চেয়ে বড়ো জাতীয় উদ্যান , তাস্সিলি নাজ্জের। আলজেরিয়ার দক্ষিণ ভাগ জুড়ে রয়েছে সাহারা মরুভূমি। ওই জাতীয় উদ্যান ছড়িয়ে আছে সাহারার একটা অংশ জুড়ে। এই উদ্যানের বৈশিষ্ট্য হল , এখানে আছে প্রকা ন্ড সব বালি - পাথরের চাঁই। যার অনেক গুলোই টিলার মতো ব ড় । প্রকৃতির এই অদ্ভুত সৃষ্টি সেখানকার এক বড় আকর্ষণ। তবে অনেকে বলেন , দূরদূরান্তে ছড়ানো ওই টিলাগুলি হল বিশ্বের বৃহত্তম আর্ট মিউজিয়ামের প্রদর্শনী গ্যালারি। কারণ , পাথরের চাঁইগুলির দেওয়ালে দেওয়ালে আঁকা আছে অজ স্র ছবি। প্রায় ১৫ , ০০০ প্রাচীন , প্রাগৈতিহাসিক সব দেওয়াল চিত্র রয়েছে সেখানে। বেশ কিছু প্রায় ১১ , ০০০ বছর পুরোনো। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে বয়স মাপার প্রযুক্তি ব্যবহার করে তেমনটাই জানা গেছে। তবে ছবিগুলিতে সে কালের মানুষ যা এঁকে ছিলেন , তার সঙ্গে আজকের মরুপ্রান্তেরের কোনও মিল নেই। বরং ছবিতে দেখা যাচ্ছে সাভানা ঘাসের বিস্তার। বিচরণরত হাতি , জিরাফ , গন্ডার , জলহস্তী। আজকের রুক্ষ , শুষ্ক তাস্সিলি নাজ্জের-এর তপ্ত বালিয়াড়ির সঙ্গে অ...

মরুবিজয়ের কেতন উড়ছে সোনার কেল্লায়

ছবি
  পালটে যাচ্ছে সোনার কেল্লার দেশ, রাজস্থান। মরু্ভূমি, ঝলসানো গরম, হাড়কাঁপানো শীত, আর মাত্র ছিটেফোঁটা বৃষ্টি - এই ছিল ওই রাজ্যে বৈশিষ্ট্য। এখন সেখানে গরমও আছে। শীতের মরসুমে এখনও   হাড় কাঁপে কোথাও কোথাও। কিন্তু ছিটেফোঁটার বদলে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি হয় অনেক জায়গায়। আর মরুভূমি ক্রমশ হয়ে উঠছে সবুজ। ডাউন টু আর্থ-এর একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে যে , রাজস্থানের পশ্চিম অঞ্চলে বৃষ্টিপাতের প্যাটার্ন ও জমির চেহারা বদলে যাচ্ছে। আর সেই সঙ্গে বদলাচ্ছে সেখানকার মানুষের সংখ্যা ও বৈচিত্র্য। ওই রাজ্যের পশ্চিমের ১২ জেলায় বাস করেন ২.৭ কোটি মানুষ (২০১১-র জনগণনা) ও ২.৬ গৃহপালিত পশু (২০১৯-র পশু গণনা)। পৃথিবীর কোনও মরু অঞ্চলে এত মানুষের বাস নেই। ওই রাজ্যে প্রায় অর্ধেক এলাকাজুড়ে রয়েছে বালিয়াড়ি। এখানে বৃষ্টি কম হয়। দু ’ তিন বছর অন্তর দেখা দিত খরা। কিন্তু এখন সেখানে আগের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। কখনও কখনও এত বৃষ্টি হচ্ছে যে দেখা দিচ্ছে বন্যা। সেচের ব্যবস্থা প্রসারিত হয়ে চলেছে। চাষের জমি বাড়ছে , গাছগাছালি এখন অনেক বেশি চোখে পড়ে। খরা আর তেমন ঘনঘন দেখা দিচ্ছে না। ‘ আঁধি ’ বা ধুলর ঝড়ের প্রকোপও কমেছে। আ...