পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৫ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

ভবঘুরে পটলের বিচিত্র জীবন

ছবি
  সব কুকুরেরই একটা নির্দিষ্ট জায়গা থাকে। হাবলু কালু , ভুতো , লালি , কুকি - আমাদের আদর-অনাদরের দেশীরা জন্মের পর , বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে , নিজেদের থাকার জায়গা ঠিক করে নেয়। কেউ বেছে নেয় রাস্তার মোড় , কেউ থাকে গলিতে , কেউ পার্কে , কেউ বাজারের আশেপাশে , কেউ আবার অমুকদের বাড়ির উঠনের এক কোণে জায়গা পায়। সেখানেই তারা থাকে। কয়েকজন মিলে , নিজেদের একটা ছোটখাট দল তৈরি করে। একা থাকা ওরা মোটেই পছন্দ করে না। আর নিজেদের জায়গা সম্পর্কে ওরা বেশ সচেতন। বহিরাগত কেউ তাদের আস্তানার সীমানার মধ্যে পা রাখলেই , গোলমাল বাধে। কিন্তু পটলের বাড়ি কোথায় ? কেউ জানে না। পটল নিজেও জানে না কোথায় তার স্থায়ী আস্তানা। ওর কোনও দলও নেই। ও একা একা থাকে। আজ এখান , কাল সেখান। প্রকৃত অর্থেই ও ভবঘুরে। এটাও লক্ষণীয় যে , পটল যখন এ-পাড়া থেকে ও-পাড়া , ও-পাড়া থেকে সে-পাড়ার মধ্যে চলা ফেরা করে , তখন সেই সব পাড়ার স্থায়ী সারমেয়রা কিন্তু পটলের পথ আটকায় না। ওর ওপর চড়াও হয় না দল বেঁধে। ওকে নিরাপদে যাওয়া আসা করতে দেয়। কেন দেয় , সে এক রহস্য। পটল একটি মেয়ে কুকুর। এক দিন সকালে ওকে দেখা গিয়ে ছিল সল্টলেকের সিকে-সিএল ব্লকের মাঠে। তখন তার বয়স ম...

উষ্ণায়নে গরিবের সঙ্কট বেশি - দুফলো

ছবি
  আবহাওয়া পরিবর্তন এখন আর কোনও ভবিষ্যৎ আশঙ্কার বিষয় নয়। সেই পরিবর্তন এখন আমাদের চোখের সামনে ঘটে চলেছে। তার প্রভাব আমরা অনুভব করছি। এই বছরের কলকাতা বইমেলায় , এ বিষয়ে কথা বলেন নোবেল পুরস্কার-প্রাপ্ত অর্থনীতিবিদ এস্থার দুফলো । তাঁর সাক্ষাৎকারটি নেন রুদ্র চ্যাটার্জি , চা শিল্প সহ অন্যান্য ব্যবসার সঙ্গেও যিনি যুক্ত। আমরা যদি যেমন চলছি তেমনই চলি , পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে যদি কোনও পদক্ষেপ না নিই , তাহলে আগামী দশ বছর পরে কলকাতার অবস্থা কেমন হবে ? এমনই প্রশ্ন দিয়ে শুরু হয় সাক্ষাৎকার। দুফলো বলেন , ওই প্রশ্নের সঙ্গে জড়িয়ে আছে অনেক কিছু যা তাঁর বিষয় নয়। তবুও , যদি দশ কুড়ি বছরের একটা সময় কাল ধরা হয় , তাহলে , আমরা যাই করি না কেন , সেই সময়ের মধ্যে আবহাওয়া পরিবর্তন ঠেকানো সম্ভব হবে না । পৃথিবীর গড় তাপমাত্রার বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে বেঁধে দেওয়া হয়েছিল প্যারিসে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক আলোচনা সভায়। গড় তাপমাত্রা যদি তার বেশি বাড়ে , তাহলে এই গ্রহ এক গভীর সঙ্কটের সম্মুখীন হবে। সে বিষয়ে এক মত হয়ে ছিলেন সকলে। কিন্তু , দুফলো বলেন , আমরা তো ইতি মধ্যেই ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গেছি। অর্থাৎ ...

প্রকৃতি তৈরি করছে প্লাস্টিকের পাথর

ছবি
  প্রকৃতিতে এখন নতুন নতুন পাথর তৈরি হচ্ছে। প্রকৃতি সব সময়ই নতুন কিছু তৈরি করে , বদল ঘটায়। বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে তাই হয়ে থাকে। কিন্তু প্রকৃতি এখন মানুষের সৃষ্ট বস্তুকে কাজে লাগাচ্ছে নিজের মতো করে। যেমন , নানা ধরনের পাথর , শিলা খণ্ড তো প্রকৃতি তৈরি করে চলেছে এই গ্রহের আদি পর্ব থেকে। ভূত ত্ত্ব বিদরা বলতে পারবেন কত ধরনের পাথর আছে পৃথিবীতে। বিভিন্ন বস্তু , তাপ-উত্তাপ , চাপ আর রাসায়নিক পদার্থের আলাদা আলাদা মিশেল দিয়ে সৃষ্টি হয়েছে পৃথিবীর বৈচিত্র্যময় প্রস্তর সম্ভার। কিন্তু সেই পাথর তৈরির কাজে আকাশ থেকে ঝরে পড়া উল্কার অবদান থাকলেও , মানুষের কোন হাত ছিল বলে কেউ বোধহয় দাবি করবেন না। তবে ইঁটকে যদি এক ধরনের পাথর বলে গণ্য করা হয় , তাহলে হয়ত বলা যেতে পারে যে , সেই সিন্ধু সভ্যতা বা তুরস্কের জনপদের যুগ থেকে (প্রায় ৭ , ০০০ বছর আগে) মানুষ পাথর তৈরি করছে। আগুনে পুড়িয়ে তৈরি করছিল মাটির ইঁট। তার সঙ্গে যোগ করা যেতে পারে বাড়ি , বড় স্থাপত্য বা বাঁধ নির্মাণের পদার্থ সিমেন্ট , বালি আর পাথর কুচির মিশ্রণ কংক্রিট। রাস্তায় কংক্রিটের ভাঙ্গা টুকরো পড়ে থাকলে তাকে পাথর বলে মনে হতে পারে। এক অর্থে সেটা মানুষের তৈর...