পোস্টগুলি

টানা পাঁচ বছর আকাশেই থাকে অ্যালবাট্রস

ছবি
অ্যালবাট্রস এক বিস্ময়কর পাখি। অনেক পেঙ্গুইনের মতো তারা কুমেরুতে বাস করে। ন ’ মাস বয়স হলেই অ্যালবাট্রসের বাচ্চারা প্রথমবার ডানা মেলে উড়ে যায়। ডানা ঝাপটিয়ে , হাওয়ায় ভর করে , একটু একটু করে ওপরে উঠতে থাকে তারা। তারপর একবার উন্মুক্ত আকাশের স্বাদ পেলে , সেখান থেকে আর শক্ত মাটিতে পা রাখে না তারা। অন্তত পাঁচ বছর। আকাশই তাদের আস্তানা হয়ে ওঠে। সায়েন্স হিস্ট্রি ইনস্টিটিউট মিউজিয়াম অ্যান্ড লাইব্রেরি ’ র একটি লেখা থেকে সে কথাই জানা গেছে। বাতাসের নানা স্তরে , নানা গতিতে বহমান হওয়ায় ভর করে ভেসে বেড়ায় তারা। একটু আধটু ডানা নেড়ে , ওপর-নীচ করে , এই মাত্র। ওই ভাবে , হাওয়ার সমুদ্রে ভাসতে ভাসতে বছরে দু ’ তিনবার কুমেরুকে প্রদক্ষিণ করে নেয় তারা। যা করার মধ্যে দিয়ে প্রায় ৭৫ , ০০০ আকাশপথ অতিক্রম করে অ্যা লবা ট্রসরা। আকাশে একটানা উড়ে বেড়ানর সময় ওরা খায় কী ? হাওয়া খেয়ে তো আর বেঁচে থাকা যায় না! তাদের আহার করাটাও এক বিস্ময়কর ব্যাপার। অল্পবয়সী অ্যালবাট্রসরা এক অতি প্রখর ঘ্রাণশক্তি নিয়ে আকাশে ওড়ে। ১২ মাইল বা প্রায় ২০ কিমি দূরে , সমুদ্রের জলের তলায় তাদের পছন্দের শিকারকে তারা শনাক্ত করতে পারে। সেই দিকে তারা এগিয়ে ...

মহাশূন্যে বদলে যায় খাবারের স্বাদ

ছবি
  ধরুন আপনি মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে , এক মহাকাশ যানে করে , কাচের জানালার বাইরে গ্রহ নক্ষত্র দেখতে দেখতে চলেছেন। এমন দিন হয়ত একদিন আসবে যখন , দিল্লি , মুম্বাই , চেন্নাই , বেঙ্গালুরু , কলকাতা বা হায়েদ্রাবাদ যাওয়ার মতোই আমরা কাজের সূত্রে মঙ্গলের কোনও এক শহরে যাব। তবে , আপনার মহাকাশ যান যতই দ্রুতগামী হোক না কেন , মঙ্গলে পৌঁছতে কয়েক দিন সময় লাগবে। ফলে , আপনার যানে , আরামে সময় কাটানোর সব সুবন্দোবস্ত থাকবে। যার মধ্যে অবশ্যই থাকবে ভাল , সুস্বাদু খাবারের আয়জন । আপনি যখন জানলা দিয়ে মহাকাশের শোভা দেখতে ব্যস্ত , তখনই এক সময় হয়ত আপনার যানের সুসজ্জিত ভোজোনালয়ে গিয়ে ১৩:৩০-এর আহার সেরে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হবে আপনাকে। মহাকাশে দিন বা রাত বোঝার উপায় নেই। তাই ঘণ্টা হিসেব করেই সব কিছু করতে হয়। নানা ধরনের সাজানো খাবার থেকে একটু একটু নিয়ে থালায় সাজিয়ে আপনি খেতে বসলেন। আর আপনার পদগুলি জিভে ঠেকাতেই , আপনার মুখ ব্যাজার হয়ে উঠল। চেনা সুস্বাদু খাবার বিস্বাদ ঠেকছে! কোনওটার আবার স্বাদ গেছে পাল্টে। বিরিয়ানি যেন হয়ে গেছে হবিষ্যি। আইসক্রিম , কিটকিটে মিষ্টি। এমনটা হবে আপনি ভাবেননি। আপনার প্রথম যাত্রার , প...

মাটির স্বাস্থ্যই মানুষের স্বাস্থ্য

ছবি
  মাটির সঙ্গে যে টাকার একটা যোগ আছে , তা আমরা জানি। মাটির দাম কমে না। দিন দিন বাড়ে। কিন্তু মাটির সঙ্গে আমাদের স্বাস্থ্যেরও যে একটা সরাসরি স ¤ পর্ক রয়েছে , সে কথা আগে কখনও তেমন জোর দিয়ে বলা হয়নি। এখন তা বলা হচ্ছে। আমাদের স্বাস্থ্য কেমন থাকবে , তা অনেকটাই নির্ভর করে মাটির স্বাস্থ্য কেমন , তার ওপর। আমরা মাটি খাই না। মাটি আমাদের খাওয়ায়। আমরা যাই-ই খাই না কেন , তা জোগায় মাটি। মাটি থেকে নানা খনিজ পদার্থ নিজেদের খাদ্য হিসেবে তুলে নেয় উদ্ভিদ। তা থেকে তারা পুষ্টি অর্জন করে। এবং আমরা সেই সব উদ্ভিদ ও গাছের ফলমূল , এমনকি তাদের ডালপালা খেয়ে নিজেরা পুষ্টি আহরণ করি। তাছাড়া , যেসব প্রাণীর মাংস খেয়ে আমরা আমাদের প্রোটিনের চাহিদা মেটাই , সেই সব প্রাণীরাও ঘাসপাতা খেয়ে বেড়ে ওঠে। তার মানে দাঁড়ায় এই যে , মাটিই আমাদের শরীরে পুষ্টির মূল জোগানদাতা। ফলে , মাটি যদি অপুষ্টির শিকার হয় , অন্যান্য অনেক প্রাণী সহ আমাদের শরীরেও পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিতে পারে। ভারতেসম্প্রতি এক গবেষণা হয়েছে । করেছে ইন্ডিয়ান কাউন্সিল ফর রিসার্চ অন ইন্টারন্যাশনাল ইকোনমিক রিলেসান্স। তাতে দেখা গেছে , এ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মাটি ঘোর অপ...

ঘাম আমাদের ঝরাতেই হবে

ছবি
  যৌবনের সীমানা ছাড়িয়ে যদি আমাদের সু স্থ- সবল থাকতে হয় , তা হলে ঘাম আমাদের ঝরাতেই হবে । এই কথা যিনি বলেছেন তিনি একজন নামকরা বিজ্ঞানী । ডেভিড এ সিং ক্লেয়ার । মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুল - এর সঙ্গে যুক্ত । টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের নির্বাচিত ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তিদের একজন । তাঁর লেখা বই ‘ লাইফস্প্যান ’ একটি বেস্টসেলার । সেই বইয়ের এক জায়গায় উনি লিখেছেন যে , বয়স বাড়ার গতি কমাতে ও আসন্ন বার্ধ ক্য কে সহনশীল করে তোলার জন্য ব্যায়াম আমাদের করতেই হবে । কেন করতে হবে ? ব্যায়াম করলে আমাদের শরীরে কী কী পরিবর্তন ঘটে তার একটা বিবরণ দিয়েছেন অধ্যাপক সিং ক্লেয়ার । এবং সেই সব প্রক্রিয়া , নানা ধরনের বাড়া - কমা , বয়সের প্রভাবকে কমিয়ে দেয় । উনি মনে করেন বার্ধক্য একটা অসুখ ও তা চিকিৎসা যোগ্য । এবং সেই চিকিৎসার ওষুধ হল ব্যায়াম । উনি লিখেছেন যে , আবহমান কাল থেকে জীবনীশক্তি ধরে রাখার জন্য ব্যায়াম করার পরামর্শই দেওয়া হয়ে আসছে । এই পরামর্শ যেন এক প্রে স ক্রিপশনের সমতুল্য । কিন্তু তার কারণটা অনেকেই – এমনকি ডাক্তারও – জানেন না । প্রায় চারশো বছর আগে , ইংরেজ চিকিৎসক...