Posts

অক্সিজেন কমছে সমুদ্রে, বিপন্ন প্রাণীরা

Image
  সমুদ্রে অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। অক্সিজেন ছাড়া স্থলের কিম্বা জলের কোনও প্রাণী ই বাঁচে না। মাত্র হাতে গোনা কয়েকটি প্রাণী আছে যারা অক্সিজেন ছাড়াও বাঁচতে পারে। স্থলের প্রাণীরা অক্সিজেন পায় বাতাস থেকে। আর জলের প্রাণীরা জল থেকে। বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ যদি কমে যায় , তা হলে স্থলের প্রাণীরা শ্বাস কষ্টের শিকার হয়। যেমন , পর্বতারোহীরা সঙ্গে অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে যান। কারণ , খুব উচ্চতায় বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। বাড়তি অক্সিজেনর জোগান ছাড়া , বেশি উচ্চতায় সাধারণ মানুষের বাঁচা কঠিন হয়ে পড়ে। এবার যদি পৃথিবীর সর্বত্রই বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে যায় , তাহলে মানুষ সহ স্থলের সব প্রাণীইরই তো দম বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হবে। ঠিক তেমনই ভাবে , পুকুর , দিঘি , নদী , সমুদ্রের জলে যদি অক্সিজেনের ঘাটাতি দেখা দেয় , তা হলে জলের সব প্রাণীদেরও দম বন্ধ হয়ে আসার মতো অবস্থা সৃষ্টি হবে। এবং জানা যাচ্ছে যে , ইতিমধ্যেই জলে অক্সিজেনের পরিমাণ একটু হলেও কমেছে। এবং এই ধারা বজায় থাকলে , সমুদ্রের জলে অক্সিজেন আরও কমে গিয়ে এক ঘোরতর সংকট সৃষ্টি করবে। মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রের রেনসেল্যার পলিটেকনিক ইনস্টিট...

শরীর কতটা ঠান্ডা হলেও বাঁচা যায়

Image
  ৯৮.৬ ডিগ্রি ফ্যারেনহাইট। এটাই মানুষের শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা। এর বেশি হলেই , আমরা জ্বরের কবলে পড়ি। ডাক্তারবাবু আসেন। ওষুধ খেতে হয়। শরীর তাপমাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গেলে , আমরা আবার সুস্থ বোধ করি। তাপমাত্রা বেড়ে যাওয়ার অসুখে আমরা সকলেই কোনও না কোনও সময় আক্রান্ত হই। জ্বরে পড়েনি এমন মানুষ পৃথিবীতে নেই বললেই চলে। কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার মতো ঘটনা আমাদের ক ’ জনেরই বা জীবনে ঘটেছে! বাইরের তাপমাত্রা যাই হোক না কেন , মানুষের শরীরের তাপ ওই ৯৮.৬ ডিগ্রি ফ্যারেনহাইটেই বাঁধা থাকে। কিন্তু শীতের দিনে , কনকনে ঠান্ডায় , ‘ ঠান্ডা ’ লেগে কিন্তু শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যায়। মানে , জ্বর হয়। আবার গ্রীষ্মকালে , ‘ গরম ’ লেগে গেলেও কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসে। শরীরের মতিগতি এমনই বিচিত্র। কিন্তু বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে শরীরের তাপমাত্রা কমেও যেতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে , তাপমাত্রা ৯৫ ডিগ্রি বা তার নীচে নেমে গেলে , সেই পরিস্থিতিকে ‘ তাপের-ঘাটিতি ’ বলে চিহ্নিত করা হয় । খুব ঠান্ডা পরিবেশে , আমাদের শরীরে কাঁপুনি দেয়। সেটা শরীরকে গরম রাখার উপায়। কিন্তু পরিস্থিতি তেমন বিরূপ হলে , আমাদের বাইরের পোষাক পরিচ্ছেদ...

জল - দেউলিয়া হচ্ছে অনেক দেশ

Image
পৃথিবীর অনেক দেশ দেউলিয়া হয়ে যাচ্ছে। তাদের আয় ১০ ইউনিট হলে , তারা খরচ করছে ১৫। এই দেউলিয়া অবস্থাটা আর্থিক নয়। বরং জলের। যতটা জল তারা প্রকৃতির কাছ থেকে পাচ্ছে , তার অনেক বেশি ব্যবহার করছে তারা। পৃথিবী এখন জল সঙ্কটের কবল থেকে জলের দেউলিয়া অবস্থায় প্রবেশ করেছে। এ কথা জানিয়েছে জাতিসংঘ । কয়েক দশক ধরে বিজ্ঞানীরা বলে আসছেন যে , পৃথিবী এক গভীর জল সঙ্কটের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। যার অর্থ দাঁড়ায় , চেষ্টা করলে সেই সঙ্কট কাটিয়ে ওঠাও সম্ভব। কিন্তু অনেক দেশে জলের অভাব এখন আর সঙ্কটের পর্যায়ে নেই। জলের দিক থেকে তারা দেউলিয়া অবস্থায় ডুবে গেছে। সে সব দেশে জলের ভাণ্ডার শেষ। চেষ্টা করলেও , সেই ভাণ্ডার আর পূরণ করা সম্ভব হবে না। এমনটাই জানা যাচ্ছে। বিশ্বের নানা প্রান্তে জলের যোগান ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর হয়ে আসছে। মাটির নিচের জলস্তরও নামতে নামতে ধরা ছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে সেই সব অঞ্চলে। মনে করা হচ্ছে , আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল হচ্ছে এমন এক আধুনিক শহর যেটি জলশূন্য হতে বসেছে । ইরানের রাজধানী তেহরানে , জলকষ্টে নাভিশ্বাস উঠছে সেখানকার বাসিন্দাদের। মেক্সিকোর রাজধানী মেক্সিকো সিটি মাটিতে বসে যাচ্ছে। বছরে ২০ ইঞ্চি ...

১২ উদ্ভিদ, ৫ প্রাণীই মানুষের প্রধান খাদ্যদাতা

Image
আমাদের খাবারের প্রায় সবটাই আসে প্রকৃতি থেকে। চাল , গম , ডাল , নুন , তেল , সবজি , মাছ , মাংস , ফল সবই তো প্রকৃতি তৈরি করে। সার দিয়ে , সেচের জল জুগিয়ে , পোকা মেরে , ক্ষতিকর ছত্রাকের বিরুদ্ধে ওষুধ প্রয়োগ করে আমরা সেই কাজে সহায়তা করি মাত্র। বড় বড় কলকারখানায় মেশিন চালালেই চাল-গম , আলু-পটল , আম-জাম , রুই-কাতলা , মুর্র্গি-মটন হুড় হুড় করে বেরিয়ে আসছে , এমনটা ঘটে না। সেই দিন এখনও আসেনি। প্রকৃতির ভাণ্ডারে সবই মজুত আছে। চাষীরা মাঠে চাষ করেন , পশুপালকরা নানা প্রাণী পালন করেন , আর ফল চাষীরা ফলের বাগান তৈরি করেন বলেই আমরা খেতে পাই। রাষ্ট্রসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার মতে , মানুষের ৭৫ শতাংশ খাদ্য আসে ১২টি উদ্ভিদ ও পাঁচটি প্রাণী থেকে । প্রায় ৩০ , ০০০ উদ্ভিদ খাওয়ার যোগ্য। কিন্তু তাদের মধ্যে মানুষের খাদ্য তালিকায় রয়েছে মাত্র ১৫০টি। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর মানুষের খাদ্যে হয়তো আরও অনেক বিচিত্র বস্তু থাকে যেগুলিকে এই তালিকার জন্য বিবেচনা করা হয়নি। কিন্তু মানুষে খাদ্যে যে বৈচিত্র্য তা ক্রমশ কমে আসছে। যেমন , একটা সূত্র বলছে , ভারতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত নাকি ১ , ১০ , ০০০ ধরনের চাল উৎপন্ন হত । এখন সংখ্যাটা...