Posts

হাওয়া বদল - ধান, চাল হবে তো

Image
বেছে বেছে বাঙালিকে ‘ ভেতো ’ বলে হেয় করার কোনও মানে হয় না । কারণ , চাল হল পৃথিবীর সব চেয়ে জনপ্রিয় খাদ্য । বিশ্বের অর্ধেক মানুষ চালের ওপর নির্ভরশীল । পৃথিবীর ১৯৫ টি দেশের মধ্যে , ১১৩ দেশে ধান চাষ হয় । ধানের ও চালের ব্যবহার সর্বত্র - খাদ্যে , পুজো - পার্বনে , উৎসবে । ধান আর ধানের চাষকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একাধিক সভ্যতা । কিন্তু বিশ্ব খাদ্য সংস্থা অনেক আগেই জানিয়েছিল যে , মানুষের চাহিদা বাড়ছে কিন্তু ধানের উৎপাদনের বৃদ্ধির হার ক্রমশ কমে যাচ্ছে । যে সব দেশে ধান চাষ হয় , সেখানে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে । সেই সঙ্গে বাড়ছে খাদ্যের চাহিদা । কিন্তু যে হারে বাড়ছে প্রয়োজন , সেই হার বাড়ছে না ধানের উৎপাদন । কারণ , ধানের চাষ বাড়াতে যত জমি আরও বাড়াতে হবে , তত জমি চাইলেই আর পাওয়া যাচ্ছে না । ধান চাষ করতে যে পরিমাণ জল লাগে , সেই জলের জোগান বাড়ানো কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে । মাটির তলার জলের স্তর তো কমে যাচ্ছে । নানান গবেষণায় এই সত্য বারবার প্রকাশ পাচ্ছে । মাটির তলার জল পাস্পের সাহায্যে ...

শুয়োরের কিডনি নির্বিঘ্নে চললো মানুষের দেহে

Image
শুয়োরকে মানুষ সুনজরে দেখে না। যদিও , দেশে দেশে তারা নিজেদের প্রাণ দিয়ে , নানা জাতির মানুষকে , খাদ্য যুগিয়ে এসেছে যুগ যুগ ধরে। তা ফুটফুটে শুয়োর ছানাই হোক বা প্রাপ্ত বয়স্ক শুয়োর। তারা প্রতিনিয়ত বাধ্য হয়েছে সুস্বাদু মাংস হয়ে খাওয়ার টেবিলে হাজির হতে। উৎকৃষ্ট প্রোটিনের জোগানদাতা শুয়োরের ওপর , পুষ্টির জন্য নির্ভর করে এসেছে মানুষ।   কিন্তু এবার কি সেই শুয়োরেরা মুমূর্ষু রোগীকে প্রাণভিক্ষাও দেবে ? এমন কি হতে পারে যে , বরাহ অবতার রূপে মানুষের ত্রাতা হয়ে উঠবে সাদা , কালো নানা বর্ণের ছোট বড় শুয়োরেরা ? মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রে এক গবেষণায় তেমনই আভাস পাওয়া গেছে। চিকিৎসাবিজ্ঞান অনেক কিছু পারে , আবার পারেও না এখনও। যেমন , খারাপ হয়ে যাওয়া কিডনিকে ভাল করে তোলার উপায় এখনও খুঁজে পায়নি চিকিৎসাশাস্ত্র। হ্যাঁ , নানা ভাবে অসুস্থ কিডনির অবনতির হার কমানো যায় ঠিকই। কিন্তু তাকে আবার আগের মতো সজীব , সচল করে তোলা সম্ভব হয় না।   অথচ কিডনি আমাদের শরীরের পক্ষে অপরিহার্য। কিডনি বিকল হয়ে গেলে , গোটা শরীরটাই একটু একটু করে অচল হয়ে যেতে থাকে। কিডনির কাজ হল শরীর থেকে বাড়তি জল বার করে দেওয়া। তার সঙ্গে শরীরে জমে ওঠা অ্য...

নীল রং সব গেল কোথায়

Image
প্রকৃতির দিকে এক বার ভালো করে তাকিয়ে দেখুন তো। গাছপালা , পশু-পাখি , মাটি , পাথর , পাহাড় , বয়ে-চলা নদী - সবের ওপর দিয়ে চোখ বুলিয়ে যান। খেয়াল করে দেখবেন যে , নীল রঙটা খুব বেশি চোখে পড়ছে না। আকাশ আর সমুদ্র বাদ দিলে , প্রকৃতিতে নীলের ব্যবহার তেমন নেই বললেই চলে। তাহলে কি ধরে নেওয়া যেতে পারে যে , নীল রঙ প্রকৃতির পছন্দ নয় ? আমরা যে রঙ দেখি , সেগুলি আসলে প্রতিফলিত আলোর বর্ণ। তার মানে , কোনও কিছুর ওপর আলো পড়লে , তার থেকে কিছুটা প্রতিফলিত হয়ে আমাদের চোখে এসে পৌঁছয়। তার ফলে , আমরা সেই আলোর বর্ণগুলি দেখতে পাই।   ধরা যাক , আপনার কালো জামাটার কথা। সেটা কালো কেননা , সেটা থেকে কোনও আলোক রশ্মি আমাদের চোখে এসে পৌঁছয় না। আলোর সাতটা রঙই শু ষে নেয় আপনার জামা। তাই সেটিকে কালো দেখায়। কিম্বা আসা যাক কৃষ্ণকলির কথায় - সেই কালো মেয়ে , যার কালো হরিণ চোখ মুগ্ধ করেছিল রবীন্দ্রনাথকে। শ্যামবর্ণ কৃষ্ণকলির গায়ের ত্বক এমনই যে তা শু ষে নেয় আলোর বেশিরভাগ বর্ণ। তাই ছোট-বড় তরঙ্গ তুলে সেগুলি আপনার চোখে পৌঁছনর কোনও সুযোগই পায় না। কবিগুরুর চোখেও পৌঁছয়নি।   তাইতো কৃষ্ণকলি কালো। সেই কারণেই তো আঁধারও কালো। সূর্য ডুবে...

উষ্ণায়ন: এবার লাল আলো জ্বাললেন বিজ্ঞানীরা

Image
  এবার সরাসরি লাল সংকেত দেখালেন বিজ্ঞানীরা। সমুদ্রে ভয়ঙ্কর ঘূর্ণীঝড় সৃষ্টি হলে , লাল সঙ্কেত জারি করে বিপদ সম্পর্কে সাবধান করা হয় সকলকে। তেমনই পৃথিবীজুড়ে যে এক প্রবল বিপর্যয় ঘনিভুত হচ্ছে , সে সম্পর্কে বিশ্ববাসিকে সাবধান করতে এবার বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছেন লাল অলো।  মানুষের কর্মকান্ডের ফলে , পৃথিবীর আবহাওয়া ক্রমশ গরম হয়ে উঠছে। গ্রিনহাউস গ্যাস ক্রমাগত জমছে বায়ুমন্ডলে। বাতাসে কর্বনের পরিমান বিপদসীমার কাছে পৌঁছে গেছে। বনভূমি ধ্বংস আর জলাভূমির বিলোপ , পরিবেশকে করে তুলছে শুষ্ক , রুক্ষ। এ সবের ফলে , পরিবেশ গরম হয়ে উঠছে।   আজ থেকে ২৫০ বছর আগে , পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা যা ছিল , আগামী দিনে সেই তাপমাত্রা যদি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেড়ে যায় , তাহলে হাজার হাজার প্রজাতির প্রাণীর পক্ষে তো বটেই , এমনকি কোটি কোটি মানুষের পক্ষেও খেয়ে-পরে সুস্থভাবে বেঁচে থাকাটা প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবে। অনেক দিন ধরে এই কথা বলে আসছেন বিজ্ঞনীরা। কিন্তু মানুষের জীবনযাত্রা যাঁরা নিয়ন্ত্রন করেন , বিজ্ঞনীদের কথাগুলো তাঁদের কানে গেলেও , মগজ অবধি পৌঁছচ্ছিল না। গত মাসে , বিশ্বের বিজ্ঞানীরা যে রিপোর্ট রাষ্ট্রপুঞ্জের হাতে তুলে ...