ম্যামথ, ডোডো, তাসম্যানিয়ান টাইগাররা কি ফিরে আসছে
ম্যামথ
কিছু বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণী কি
আবার ফিরে আসছে? যেমন ধরা যাক,
ম্যামথ বা সেই দৈত্যকায় লোমোশ হাতি যারা পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে
যায় প্রায় ১০ হাজার বছর আগে। কিম্বা ম্যাডাগাস্কারের সেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পাখি,
ডোডো। অথবা অস্ট্রেলিয়ার তাসম্যানিয়ান টাইগার, যারা অনেকটা কুকুরের মতো দেখতে হলেও গায়ে ছিল বাঘের মতো ডোরা কাটা দাগ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণা
কেন্দ্র জানাচ্ছে যে, এদের ফিরে আসাটা এখন
কেবল সময়ের অপেক্ষায়। গবেষণার কাজ এতটাই এগিয়ে গেছে যে ম্যামথ, ডোডো ও তাসম্যানিয়ান টাইগারদের আবার হয়ত পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাবে।
২০০৩ সালে একটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া
প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে ক্ষণিকের সাফল্য অর্জন করে ছিলেন বিজ্ঞানীরা। সেটি
ছিল বুকার্ডো বলে একটি প্রাণী। এক ধরনের বুনো ছাগল, যাকে বলে আইবেক্স। বাস করত ইউরোপের পেরেনিস পর্বতমালায়। এক সময় তারা
সংখ্যায় ছিল অনেক। কিন্তু ২০০ বছর ধরে শিকার হতে হতে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে।
১৯৯৯-তে আর মাত্র একটি বুকার্ডো বেঁচে থাকে। ২০০০ সালে সেটিও মারা গেলে, ওই প্রজাতির বুকার্ডো চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। বার বছরের সেই মেয়ে
বুকার্ডোর কান থেকে একটু চামড়ার নমুনা সংগ্রহ করে রাখেন বিজ্ঞানীরা। সেই কানের
কোষের সাহায্যে, বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে একটি ক্লোন বা হুবহু
একই রকমের বুকার্ডো তৈরি করতে সক্ষম হন ২০০৩ সালে। কিন্তু ফুসফুসের সমস্যা দেখা
দেওয়ায়, সেটি অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা
সংস্থা, ‘কলোসাস বায়োসায়েন্স, বলেছে,
বিলুপ্ত প্রাণীদের ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি এখন অনেক উন্নত। ম্যামথ,
ডোডো ও তাসমানিয়ান টাইগার
ফিরিয়ে আনার কাজ জোর কদমে এগিয়ে চলেছে। এবং অদূর ভবিষ্যতেই তাদের আবার দেখা যাবে।
এমনও দবি করা হয়েছে যে ২০২৮ সালেই ম্যামথদের পুনর্বিভাব ঘটবে পৃথিবীতে। তারপর এক
এক করে আসবে ডোডো আর তাসমানিয়ান টাইগার।
তবে বহুকাল আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া
প্রাণীদের এই ভাবে ফিরিয়ে আনাটা পরিবেশের পক্ষে ভাল হবে, নাকি বিপর্যয় ঘটাবে তাই নিয়ে বিতর্ক চলছে। কাল যদি
হাতিদের সঙ্গে এক পাল ম্যামথও ঘুরে বেড়াতে শুরু করে, তাহলে
কেমন হবে ব্যাপারটা? তারা কি তাদের প্রয়োজনীয় খাবার পাবে
আজকের পৃথিবীতে। নাকি তারা ফিরে পাবে তাদের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বাসস্থান? তারা ছিল তুষার যুগের প্রাণী। এখন উষ্ণায়নের যুগ। আজকের এই উষ্ণ, দূষণযুক্ত পরিবেশে তারা বাঁচবে তো?
কিছু বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণী কি
আবার ফিরে আসছে? যেমন ধরা যাক,
ম্যামথ বা সেই দৈত্যকায় লোমোশ হাতি যারা পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে
যায় প্রায় ১০ হাজার বছর আগে। কিম্বা ম্যাডাগাস্কারের সেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পাখি,
ডোডো। অথবা অস্ট্রেলিয়ার তাসম্যানিয়ান টাইগার, যারা অনেকটা কুকুরের মতো দেখতে হলেও গায়ে ছিল বাঘের মতো ডোরা কাটা দাগ?
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণা
কেন্দ্র জানাচ্ছে যে, এদের ফিরে আসাটা এখন
কেবল সময়ের অপেক্ষায়। গবেষণার কাজ এতটাই এগিয়ে গেছে যে ম্যামথ, ডোডো ও তাসম্যানিয়ান টাইগারদের আবার হয়ত পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাবে।
২০০৩ সালে একটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া
প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে ক্ষণিকের সাফল্য অর্জন করে ছিলেন বিজ্ঞানরা। সেটি
ছিল বুকার্ডো বলে একটি প্রাণী। এক ধরনের বুনো ছাগল, যাকে বলে আইবেক্স। বাস করত ইউরোপের পেরেনিস পর্বতমালায়। এক সময় তারা
সংখ্যায় ছিল অনেক। কিন্তু ২০০ বছর ধরে শিকার হতে হতে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমতে
থাকে। ১৯৯৯-তে আর মাত্র একটি বুকার্ডো বেঁচে থাকে। ২০০০ সালে সেটিও মারা গেলে,
ওই প্রজাতির বুকার্ডো চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। বার বছরের সেই মেয়ে
বুকার্ডোর কান থেকে একটু চামড়ার নমুনা সংগ্রহ করে রাখেন বিজ্ঞানীরা। সেই কানের
কোষের সাহায্যে, বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে একটি ক্লোন বা হুবহু
একই রকমের বুকার্ডো তৈরি করতে সক্ষম হন ২০০৩ সালে। কিন্তু ফুসফুসের সমস্যা দেখা
দেওয়ায়, সেটি অল্প সময়ের মধ্যেই মারা যায়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা
সংস্থা, ‘কলোসাস বায়োসায়েন্স, বলেছে,
বিলুপ্ত প্রাণীদের ফিরিয়ে আনার প্রযুক্তি এখন অনেক উন্নত। ম্যামথ,
ডোডো ও তাসমানিয়ান টাইগার
ফিরিয়ে আনার কাজ জোর কদমে এগিয়ে চলেছে। এবং অদূর ভবিষ্যতেই তাদের আবার দেখা যাবে।
এমনও দবি করা হয়েছে যে ২০২৮ সালেই ম্যামথদের পুনর্বিভাব ঘটবে পৃথিবীতে। তারপর এক
এক করে আসবে ডোডো আর তাসমানিয়ান টাইগার।
তবে বহুকাল আগে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া
প্রাণীদের এই ভাবে ফিরিয়ে আনাটা পরিবেশের পক্ষে ভাল হবে, নাকি বিপর্যয় ঘটাবে তাই নিয়ে বিতর্ক চলছে। কাল যদি
হাতিদের সঙ্গে এক পাল ম্যামথও ঘুরে বেড়াতে শুরু করে, তাহলে
কেমন হবে ব্যাপারটা? তারা কি তাদের প্রয়োজনীয় খাবার পাবে
আজকের পৃথিবীতে। নাকি তারা ফিরে পাবে তাদের বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া বাসস্থান? তারা ছিল তুষার যুগের প্রাণী। এখন উষ্ণায়নের যুগ। আজকের এই উষ্ণ, দূষণযুক্ত পরিবেশে তারা বাঁচবে তো?
ছবি: উইকিপিডিয়াকমন্স

Comments
Post a Comment