১ ২ ৩...নিষ্ক্রিয় হবে রাগের বোমা

 



মাথাটা হঠাৎ গরম হয়ে উঠলে, অনেক কিছু ঘটে যেতে পারে। বাকবিতণ্ডা, বচসা, হাতাহাতি, আরও কতকী। একটা ধারণা হল, রাগ প্রকাশ করে ফেললে মাথার পারদটা চট করে নেমে যায়। সেই সঙ্গে ফিরে আসে শান্তি। কিন্তু যে কয়েকটা মুহূর্ত জুড়ে বিস্ফোরণ ঘটে চলে, তা আগ্নেয়গিরির লাভা উদ্গিরণের মত বিধ্বংসী হয়ে উঠতে পারে। তাই বিস্ফোরণ ঘটার আগেই যদি বম্বস্কোয়াড এসে টাইম-বোমাটিকে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে, তাহলে হয়ত অনেক অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়িয়ে চলা যায়। আর আপনি নিজেই একজন দক্ষ বিস্ফোরণ-নিরধক কর্মী হয়ে উঠতে পারেন।

তার জন্য কী করতে হবে? গবেষকরা বলেছেন যে, সব চেয়ে সহজ কাজটি করায় আপনি নিজেকে অভ্যস্ত করে তুলতে পারেন। সেটি হল বিস্ফোরণের ঠিক আগের মুহূর্তে এক থেকে দশ পর্যন্ত গুনতে শুরু করে দেওয়া। দেখা গেছে, এই সংখ্যা গোনার মধ্যে দিয়ে আপনি আবার নিজের ওপর খোয়াতে বসা নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাচ্ছেন। অর্থাৎ, ওই ভাবে নিষ্ক্রিয় হয়ে যায় মনের বারুদ। রাগের বোমা ফাটতে গিয়েও শেষ পর্যন্ত ফাটে না।

আর রাগের মাত্রাকেই যদি আপনি নিরাপদ সীমার মধ্যে রাখতে চান, তা হলে গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস নিতে হবে, ধ্যান করা শিখতে হবে, এবং যোগাসনের সাহায্য নিতে হতে পারে। সেই ভাবে আপনি নিজের মনের আগ্রাসী ভাবকে প্রশমিত করতে পারেন। গবেষকরা বলেছেন এই সব উপায়গুলি শরীরে উত্তেজনা সৃষ্টি করা উপাদানগুলিকে বশে রাখে। ফলে আপনার রাগের প্রকাশকে বিস্ফোরক হয়ে উঠতে দেয় না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও ইউনিভার্সিটিরগবেষকরা এই কথা বলেছেনসাইকোলজি রিভিউজার্নালে তাঁদের গবেষণা পত্র প্রকাশিত হয়েছে।

ছবি: উইকিপিডিয়াকমন্স

মন্তব্যসমূহ

এই ব্লগটি থেকে জনপ্রিয় পোস্টগুলি

ভালো হরমোন বাড়ায় কুকুর, বেড়াল

গাছেরা কি দেখতে পায়

এক চিলতে বাগানে হাজারও প্রাণীর বাস