Posts

গ্রিনল্যান্ড: প্রকৃতি দিল এক বিস্ময়কর তথ্য

Image
  থরে থরে জমে আছে বরফ । এখনও আছে । আর তার মধ্যে জমে আছে ইতিহাস । পৃথিবীর এক প্রান্তের অতীতের কথা । বরফের চাঁই যেন এক বিরাট আর্কাইভ বা মহাফেজখানা । যেখানে রাখা আছে পৃথিবীর প্রকৃতির গতিবিধির প্রাচীন সব দলিল । ঠিক যেমন পাহাড়ের শিলাখণ্ডে  লেখা থাকে পৃথিবীর ভূতত্ত্বের গল্প । সম্প্রতি গ্রিনল্যান্ডের বরফ থেকে জানা গেছে পৃথিবীর অতীতের এক আশ্চর্য ইতিকথা । গ্রিনল্যান্ড এক বিশাল দ্বীপ , যার প্রায় সবটাই বরফে ঢাকা । সেখানকার পাহাড় , পর্বতমালা সবই ঢাকা পুরু বরফের চাদরে ।   কোথাও কোথাও সেই বরফের আস্তরণ উঠে গেছে ৩ , ০০০ মিটার বা ৯ , ৯০০ ফিট পর্যন্ত । সেই পুরু বরফের পাহাড়গুলি এখন গলে যাচ্ছে । গ্রিনল্যান্ডের ৭৯ শতাংশই ওই মোটা বরফের চাদরে ঢাকা । আর আছে গ্রিনল্যান্ডের উপকুল ধরে পাহাড়ের সারি । যেগুলি আকারে ছোট । কিন্তু সেগুলি এখনও বরফে মোড়া । ওই উপকুলের পাহাড়ের বরফ গলছে খুব দ্রুত হারে । সেখানকার মেশিন দিয়ে ড্রিল করে , গবেষকরা অনেক গভীরে জমে - থাকা বরফ তুলে আনেন । বি...

শরীরকে ত্যাগ করে চলে যায় মাথা

Image
  গুপি-বাঘার মনে একবার বেজায় দুশ্চিন্তা ঘনিয়ে উঠে ছিল? ‘মুণ্ডু গেলে খাবটা কী/মুণ্ড গেলে বাঁচব নাকি?’ এমনই এক ঘোরতর চিন্তায় তারা মুষড়ে পড়ে ছিল এক সময়।   সত্যিই তো, ধড়ে মুণ্ডটাই যদি না থকে, তা হলে প্রাণটা তো যাবে ঠিকই, কিন্তু তার চেয়েও বড় অফসোসের কথা, হাঁড়ি হাঁড়ি মণ্ডা-মিঠাই যে আর খাওয়াই যাবে না! কিন্তু এমনও তো হতে পারত যে, মুণ্ডগুলি আলাদা হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও এদিক ওদিক ভেসে ভেসে পোলাও কালিয়া মণ্ডা-মিঠাই খেয়ে বেড়ানোর ক্ষমতা বজায় থাকত সেগুলির। না, তেমনটা হওয়া মোটেই অসম্ভব ছিল না। ভুতের রাজা তেমন বর দিলে, নিশ্চয়ই তা সম্ভব হত। তাই মনে হয়, ভূতের রাজা বোধহয় তেমনই এক বর দিয়ে ছিলেন সমুদ্রের স্লাগদের। ধড় থেকে মুণ্ড আলাদা হয়ে গেলেও, তাদের খাওয়া দাওয়ায় কোনও কমতি দেখা দেয় না। স্লাগরা হল শামুকের মতো এক প্রাণী। দুয়ের মধ্যে তফাৎটা হলো এই যে, শামুকের একটা খোল থাকে, স্লাগের তা থাকে না। স্লাগ হলো এক বিস্ময়কর প্রাণী। প্রয়োজন বোধ করলে, তারা অনায়াসে তাদের মাথাটা শরীর থেকে আলাদা করে ফেলতে পারে (ছবি)। শরীরটাকে ফেলে দিয়ে মাথাটা দিব্বি চলে ফিরে বেড়ায়। জাপানের নারা উইমেনস ইউনিভারসিটিরগবেষক সায়াকা মি...

সূর্য’র কাছে পৌঁছে গেছে মহাকাশযান পার্কার

Image
  সূর্যের পরিম ন্ড লে পৌঁছে গেছে পার্কার । এই প্রথম , মানুষের পাঠানো কোনও মহাকাশযান সূর্যের কাছাকছি পৌঁছল । যে সূর্য আমাদের আলো দেয় , উত্তাপ দেয় , প্রাণের অস্তিত্ব নিশ্চিত করে , আর আমাদের পৃথিবীকে নিজের সৌরজগতে আটকে রাখে তার নিজস্ব আকর্ষণে , সেই অগ্নিগোলকের মতো নক্ষত্রটি কেমন ? এই প্রশ্ন তো মানুষ অনাদি কাল থেকে করে আসছে । তারই উত্তর খুঁজতে পার্কার গেছে সূর্যের কাছে । চাঁদ ও মঙ্গলকে জানতে কেউ না কেউ মাঝেমাঝেই মহাকাশযান পাঠাচ্ছে তাদের লক্ষ্য করে । শুক্র গ্রহ সম্পর্কেও জানার আগ্রহে সেখানে গবেষণাযান গেছে নিয়মিত ।   আমাদের সৌরমন্ডলের বাইরে যে এক অসীম , অজানা শূন্যতার জগৎ রয়েছে , সেটি সম্পর্কে ধারণা করার জন্যও সেখানে এখন ভেসে চলেছে ভয়জার - ১ । ইন্টারস্টেলার স্পেস বা আন্তর্নাক্ষত্রিক মহাকাশ বা নক্ষত্রলোকে সেই যাত্রার কোনও শেষ নেই । ভয়জার - ১ ভেসে চলবে অনন্তকাল । যতদিন না তার যান্ত্রিক চোখ , কান , নাক ও হৃৎপি ণ্ড  সমেত সে ভষ্মীভূত হয়ে যাচ্ছে কোনও এক তারার আগুনে...