Posts

Showing posts from December, 2025

ম্যামথ, ডোডো, তাসম্যানিয়ান টাইগাররা কি ফিরে আসছে

Image
ম্যামথ কিছু বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রাণী কি আবার ফিরে আসছে ? যেমন ধরা যাক , ম্যামথ বা সেই দৈত্যকায় লোমোশ হাতি যারা পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায় প্রায় ১০ হাজার বছর আগে। কিম্বা ম্যাডাগাস্কারের সেই বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া পাখি , ডোডো। অথবা অস্ট্রেলিয়ার তাসম্যানিয়ান টাইগার , যারা অনেকটা কুকুরের মতো দেখতে হলেও গায়ে ছিল বাঘের মতো ডোরা কাটা দাগ ? মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এক গবেষণা কেন্দ্র জানাচ্ছে যে , এদের ফিরে আসাটা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষায়। গবেষণার কাজ এতটাই এগিয়ে গেছে যে ম্যামথ , ডোডো ও তাসম্যানিয়ান টাইগারদের আবার হয়ত পৃথিবীতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যাবে। ২০০৩ সালে একটি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া প্রজাতিকে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে ক্ষণিকের সাফল্য অর্জন করে ছিলেন বিজ্ঞানীরা। সেটি ছিল বুকার্ডো বলে একটি প্রাণী। এক ধরনের বুনো ছাগল , যাকে বলে আইবেক্স। বাস করত ইউরোপের পেরেনিস পর্বতমালায়। এক সময় তারা সংখ্যায় ছিল অনেক। কিন্তু ২০০ বছর ধরে শিকার হতে হতে তাদের সংখ্যা দ্রুত কমতে থাকে। ১৯৯৯-তে আর মাত্র একটি বুকার্ডো বেঁচে থাকে। ২০০০ সালে সেটিও মারা গেলে , ওই প্রজাতির বুকার্ডো চিরতরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। বার বছরের সেই মেয়ে বুকার্ডো...

আখ খেতের চিতাবাঘ

Image
    বদলাতে থাকা পৃথিবীতে , প্রাণীরাও তাঁদের স্বভাব ও আচরণ বদলানোর চেষ্টা করে। বেঁচে থাকার তাগিদেই তাঁরা এমনটা করে বলে ধরে নেওয়া যায়। নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে পারলেই টিকে থাকা সম্ভব। নচেৎ , জীবন সংকট বাড়তে বাড়তে , অস্তিত্বকেই বিপন্ন করে তুলতে পারে। নয় বদল , নয় বিনাশ। বিবর্তনের নিয়ম এমনই অনমনীয়। এই রকমই এক প্রাণীর কথা সম্প্রতি জানা গেছে। তাঁরা ভারতের মহারাষ্ট্র প্রদেশের লেপার্ড বা চিতাবাঘ। মানুষ তাদের ভয় পায়। ভয় পাওয়ারই কথা । চিতাবাঘ বড় বাঘেদের মধ্যে পড়ে। আর বাঘেদের কে না ভয় পায়! তবে , তারাও মানুষকে এড়িয়ে চলে যতটা সম্ভব। দু পায় , সোজা হয়ে চলা জীবটিকে ভয় পায় না এমন প্রাণী কমই আছে। এমনকি মানুষও মানুষকে ভয় পায়। মহারাষ্ট্রের জুন্নার-এ চিতাবাঘের এক বড় বাসস্থান রয়েছে। কিন্তু সেটি কোনও জঙ্গল নয়। সেখানে এক বিরাট এলাকাজুড়ে আখের চাষ হয়। মাইলের পর মাইল শুধুই আখের খেত। সেই খেতেই থাকে চিতাবাঘরা। কয়েক প্রজন্ম ধরে চিতাবাঘেরা সেখানেই আছে। তারা কোনও দিন জঙ্গল দেখেনি। আখের খেতে থাকে বলে , জুন্নারের বন আধিকারিকরা তাদের বলেন ‘ সুগার বেবি ’ ।বা ‘ চিনি-শিশু ’ । এমনট...

প্রাণীদের চলাফেরার জায়গা কমছে

Image
  মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। বেড়েই চলেছে। কোনও কোনও দেশের জনসংখ্যা কমলেও , সারা পৃথিবীতে মানুষ বাড়ছে। রাষ্ট্রসঙ্ঘ জানিয়েছে , জুন ২০২৫-এর হিসেব অনুযায়ী , পৃথিবীর জনসংখ্যা ৮২০ কোটি। মানুষ বাড়ছে , কিন্তু পৃথিবীর আয়তন এক বর্গ ইঞ্চিও বাড়ছে না। একই থাকছে। বাড়ছেও না , কমছেও না। এই অবস্থায় , পৃথিবীর মোট আয়তনের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ চলে যাচ্ছে বাড়তে-থাকা মানুষের জন্য জায়গা করে দিতে। এবং সেই অংশটা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। কারণ , মানুষ বেড়েই চলেছে। মানুষ যখন বেশি জায়গা দখল করে নিচ্ছে , তখন , স্বাভাবিক ভাবেই , পৃথিবীতে অন্যান্য সব প্রাণীদের জন্য জায়গা কমছে। গাছপালা , পোকামাকড় ও পশুপখির বাসস্থান ও ঘুরে বেড়ানর ক্ষেত্র কমে যাচ্ছে ক্রমশ। প্রাণী মাত্রই ঘুরে বেড়ায়। পোকারা বেড়ায়। পাখিরা বেড়ায় । বাঘ , সিংহ , হাতি , ঘোড়া , বেড়াল , কুকুর কেউই এক জায়গায় স্থির হয়ে থাকে না। এমনকি গাছেরাও চলাচল করে এক অর্থে। বীজ থেকে অঙ্কুরিত হয়ে , আলোর সন্ধানে তারা ওপর দিকে উঠতে থাকে। একটু একটু করে ছড়িয়ে পড়ে তাদের ডালপালা। মাটির তলায় , এক অন্ধকার , রহস্যময় জগতের মধ্যে দিয়ে ধীর গতিতে এগিয়ে চলে তাদের শেকড়বাকড়। এক সাম্প্রতিক...